মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

উপজেলার ঐতিহ্য

আশাশুনি প্রণব মঠ- ১৯২১ সালে আশাশুনি বাজারে ও ১৯৭৫ সালে দেবহাটা উপজেলার রামনাথপুর ‘প্রণবমঠ’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ১৯২১ সালে আশাশুনি ও সাতক্ষীরা অঞ্চলে ব্যপক দুর্ভিক্ষ দেখাদেয়, যা সুন্দরবন দুর্ভিক্ষ নামে পরিচিত। এ সময় আচর্য স্বামী প্রনবান্দ (ব্রহ্ম চারী বিনোদ বিহারী) দুর্ভিক্ষ পীড়িত অসহায় মানুষের সাহায্যার্থে আশাশুনিতে আগমন করেন। সুন্দরবন অঞ্চালে সাফল্য জনক সেবা কার্যের পর আশাশুনি ও খুলনায় ১৯২১-২২ সালে দুটি স্থায়ী আশ্রম প্রতিষ্ঠা করে যান। ১৯৩৬-৩৭ সালে (১২ও ১৩ই চৈত্র) আশ্রমের দোল উৎসব উপলক্ষে নৌকা যোগে তিনি আশাশুনিতে পুনরায় আগমন করেন এবং টাউনশ্রীপুর,বড়দল,সাহাপাড়া,সবদলপুর,বরেয়া ও কোদন্ডা গ্রামে গিয়ে ভক্তদের দর্শন করেণ। যাতোয়াত- সাতক্ষীরা থেকে আশাশুনি সড়ক পথে ২৩ কিঃমি আশাশুনি উপজেলায় পৌছানোর ৭০০ মিটার পূর্বে ৬নং আশাশুনি ইউনিয়ন পরিষদের উত্তর পার্শে অবস্থিত। যাতোয়াতের জন্যবাস ও মটর সাইকেল ব্যবহার করা হয়। বাসের ভাড়া ৩৮ টাকা জনপ্রতি ও মটর সাইকেল ভাড়া ৫০ টাকা জনপ্রতি। যোগাযোগ–আশাশুনি প্রনবমঠ,আশাশুনি বাজার,আশাশুনি,সাতক্ষীরা। এতিম ছেলেমেয়েদের জন্য কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, খুলনা বিভাগীয় এতিম ছেলে-মেয়েদের জন্য কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, আশাশুনি, সতক্ষীরা। আশাশুনি সদরের শ্রীকলস মৌজায় মনোরম পরিবেশে ২ (দুই) একর ৬৬ শতক জমির উপর প্রতিষ্ঠিত- নির্মান কাজ উদ্বোধন=১৮/০৫/২০০৬ তারিখ ও ৩০/০৬/২০১৩ তারিখে প্রকল্প ও নির্মান কাজ সমাপ্ত হয়েছে। বিভিন্ন ভবনের সংখ্যা ১০ টি। অনুমোদিত নীতিমালা মোতাবেক সম্ভাব্য ডিসেম্বর ২০১৪ পর ভর্তি র্কাক্রম শুরু হবে। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন এতিমখানায় প্রতিপালিত ১৫- ২৫ বছর বয়সি এতিম ছেলে মেয়ে এ প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ট্রেডে উন্নত মানের কারিগরি বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রনের সুযোগ পাবে। যাতোয়াত- সাতক্ষীরা থেকে আশাশুনি সড়ক পথে ২৩ কিঃমি আশাশুনি উপজেলায় পৌছানের ১কিঃমিঃ পূর্বে আশাশুনি বেইলী ব্রীজের উত্তর পার্শে অবস্থিত। যাতোয়াতের জন্য বাস ও মটর সাইকেল ব্যবহার করা হয়। বাসের ভাড়া ৩৮ টাকা জন প্রতি ও মটর সাইকেল ভাড়া ৫০ টাকা জন প্রতি। যোগাযোগ–এতিম ছেলে মেয়েদের জন্য কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র,আশাশুনি,সাতক্ষীরা। শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যানের পর্যটন কেন্দ্র। আশাশুনি উপজেলায় দক্ষিনে ৭ নং শ্রীউলা ইউনিয়ন পরিষদ অবস্থিত। এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব আবু হেনা সাকিল অত্যন্ত গুনীজন ,সমাজ গড়ার কারিগর,উন্নয়নের রূপকর,রুচিশীল একজন ব্যক্তিত্ব। চেয়ারম্যান সাহেবের নিজস্ব অর্থায়নে শ্রীউলা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বুড়াখারাটি গ্রামের একাংশ জুড়ে সুন্দর পরিবেশে একটি পর্যটন নগরী গড়ে তুলেছেন।সেখানে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার দর্শনার্থী জমায়েত হচ্ছে। এখানে বিভিন্ন জীবজন্তু,বিভিন্ন প্রজাতির পাখি,কুমির,খোরগোশ,বানর, চিতা বাঘ এবং বড় বড় মাছ দেখতে পাবেন। যাতোয়াতাত-সাতক্ষীরা জেলা থেকে আশাশুনি উপজেলা ২৩কিঃমিঃ যাতয়াতের জন্য বাস ও মটর সাইকেল ব্যবহার করা হয়। সাতক্ষীরা বাস স্ট্যান্ড থেকে আশাশুনি বাস স্ট্যান্ডে প্রতি জন ৩৮ টাকা ভাড়া ও মটর সাইকেলে ভাড়া ৫০ টাকা প্রতিজন। আশাশুনি উপজেলার ব্যাস স্ট্যান্ড থেকে শ্রীউলা কালিবাড়ি বাজার থেকে কিঃমিঃ বাসে ভাড়া ১৫ টাকা মটর সাইকেলে ভাড়া ৩০ টাকা। কালিবাড়ি বাজার থেকে পূর্বে ২ কিঃমিঃ ইটের সোলিং যাতয়াতের জন্য ভ্যান ব্যবহার করা হয় জন প্রতি ভাড়া-১০টাকা। যোগাযোগ-শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যানের পর্যটন কেন্দ্র, আশাশুনি, সাতক্ষীরা। দ্বাদশ শীব কালী মন্দির কি ভাবে যাওয়া যায়: যাতায়াত – সাতক্ষীরা জেলা সদর বাসটার্মিনাল থেকে সরাসরি বুধহাটা বাজারে বাসে এসে হাটা পথে মাত্র ৩মিনিটের পথ। ভাড়ারহার- ১৫ -২০ টাকা। (জনপ্রতি) বুধহাটা দ্বাদশ শিব ও কালী মন্দির টি প্রায় ২৫০ বছরের পুরাতন মন্দির। জমিদার বাবু রাজবংশী কর্তৃক নির্মিত হয়ে আজকালের স্বাক্ষী হয়ে মাথা উচু করে দাড়িয়ে আছে। দ্বাদশ শিব মন্দির ও একটি কালী মন্দির নিয়ে এই মন্দির টি প্রতিষ্ঠিত হলেও অযত্ন অবহেলায় আজ ৬টি শিব মন্দির ও একটি কালী মন্দির রয়েছে। বর্তমান সময়ে এলাকার ধর্মপ্রান মানুষের সহযোগীতায় মন্দিরটির শ্রীবৃদ্ধি ঘটেছে। প্রতিদিন পূজা অর্চনাসহ এখানে রাস পূর্নিমা তিথিতে পুজা হয়। তাছাড়া প্রতি বছর জগদ্ধাত্রী পূজা সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হয়। চৈত্র সংক্রান্তিতে এলাকার নারী পুরুষ এই মন্দিরে শিবের মাথায় জল দান করেন। প্রতি বছর মন্দিরের তরফ থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানদর্শনের জন্য স্বল্প খরচে পক্ষ কাল ব্যাপী ভ্রমনের ব্যবস্থা করা হয়। এলাকার এক মাত্র জাগ্রত মন্দির হিসেবে বুধহাটা দ্বাদশ শিব ও কালীমন্দিরটি আন্তঃ জেলায় সুনাম রয়েছে। অবস্থান: সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নে সেন্ট ফ্রান্সিস জেডিয়ারে গীর্জা। ১৯৩৭ সালে খ্রিঃ জেভ্রিয়ান সম্প্রদায়ের ফাদারগণ উক্ত গীর্জা টি প্রতিষ্টা করেন উক্ত গীর্জায় খ্রীস্ট ধমীর্বলম্বীদের প্রার্থনা সভাসহ ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। ইহা ছাড়া এখানে সেন্ট ফ্রন্সিস জোডিয়ার জুনিয়ার হাইস্কুল ও ছাত্রা বাস রহিয়াছে। উক্ত গীর্জায় সপ্তাহিক ভাবে প্রতি রবিবারে সকল খ্রীষ্টান ভক্তগণ এক সাথে যোগদান করে থাকেন এবং ভক্তগণ প্রভাতে উঠিয়া উপস্যানা করে থাকেন। এছাড়া সকল সম্প্রদায়ের গরিব দুঃখী লোকদের সেবা প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য এখানে মাদারতেরাজা হোম রহিয়াছে সেখানে প্রতি সোমবারে সকল ধর্মের লোকদের বিনামূল্যে ঔষধ বিতরন করা হয়। এবং প্রতিদিন দুপুর ৩টার সময় গরীব দুঃখীদের খাবার বিতরণ করা হয়। অবস্থান-বড়দল,আশাশুনি,সাতক্ষীরা। যাতয়াত-আশাশুনি উপজেলা থেকে পূর্বে ৫ কিঃমিঃ দূরে বড়দল ইউনিয়ন অবস্থিত। যাতয়াতের জন্য ভ্যান,নৌকা পারাপার,মটরসাইকেল পাওয়া যায় । জন প্রতি ভ্যানে ভাড়া ১৫ টাকা ও মটর সাইকেলে ভাড়া ৩০ টাকা। উত্তমভবন প্রাচীন কালের ঐতিহ্যবাহী এই ভবনের প্রতিষ্টাতা ভদ্রকান্ত মন্ডলের পুত্র গাতীদার সুধীর কৃষ্ণ মন্ডল এবং অধীর কৃষ্ণ মন্ডল । উক্ত ভবনটি ১৯৬৬ সালে সুধীর কৃষ্ণ মন্ডলের একমাত্র পুত্র রনজীৎ মন্ডল ও পাঁচ কন্যা এবং অধীর কৃষ্ণ মন্ডলের তিন পুত্র ও এক কন্যাসহ্ সুখী সমৃদ্ধিতে জী্বন যাপন করছেন কালক্রমে ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধের সময় মুক্তি সেনাদের আবাস ভূমি হিসাবে চিহ্নিত করে। পাক হানাদার বাহিনি আক্রমনে কাজল নামে এক সৈনিক নিহত হন। জানাযায় এই মুক্তি যোদ্ধা কাজলের গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরায়। আর এই মুক্তিযোদ্ধার নামানুসারে হেতাইলবুনিয়া গ্রামের নাম হয় কাজল নগর। অবস্থান-সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের হিতলবুনিয়া গ্রামে। যাতয়াত-বড়দল ইউনিয়ন পরিষদ থেকে দক্ষিনে ১ কিঃমিঃ যাওয়ার জন্য ভ্যান পাওয়া যায় জন প্রতি ভাড়া ৫ টাকা। ৭.রামনগর কালিতলা বট গাছ****** শত বর্ষের অধিক বয়সকাল এখানে বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ মনোবাসনা পূরণের জন্য পূজা অর্চনা করতে আসে এবং সকল হিন্দু ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করা হয়। অবস্থান-রামনগর,দরগাহপুর,আশাশুনি,সাতক্ষীরা। যাতোয়াতের ব্যবস্থা- আশাশুনি উপজেলা থেকে দরগাহপুর উত্তর দিকে ১২ কিঃমি দূরে অবস্থিত যাতয়াতের জন্য ভ্যান ব্যবহার করা হয়। আশাশুনি বাজার থেকে ভ্যানে উঠে মানিকখালী খিয়াঘাট পর্যন্ত জন প্রতি ভাড়া ৫ টাকা। খিয়াঘাট ২ টাকা তারপর মটর সাইকেল ও ভ্যান পাওয়াযায় ভ্যানে ২০ টাকা মটর সাইকেলে ৩৫ টাকা ভাড়া । রামনগর কালিতলা বট গাছ শত বর্ষের অধিক বয়সকাল এখানে বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ মনোবাসনা পূরণের জন্য পূজা অর্চনা করতে আসে এবং সকল হিন্দু ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করা হয়। অবস্থান-রামনগর,দরগাহপুর,আশাশুনি,সাতক্ষীরা। যাতোয়াতের ব্যবস্থা- আশাশুনি উপজেলা থেকে দরগাহপুর উত্তর দিকে ১২ কিঃমি দূরে অবস্থিত যাতয়াতের জন্য ভ্যান ব্যবহার করা হয়। আশাশুনি বাজার থেকে ভ্যানে উঠে মানিকখালী খিয়াঘাট পর্যন্ত জন প্রতি ভাড়া ৫ টাকা। খিয়াঘাট ২ টাকা তারপর মটর সাইকেল ও ভ্যানপাওয়াযায়ভ্যানে ২০ টাকামটরসাইকেলে ৩৫ টাকাভাড়া । গুনাকরকাটি দরবার শরীফ ১৬১৬ বঙ্গাব্দ হুজুর হযরত শাহ আঃ আজিজ খুল নবী রহমতুল্লাহ আঃ বাংলার দক্ষিন অঞ্চাল কে ইসলামের প্রচারের জন্য সাতক্ষীরা জেলায় গুনাকরকাটি গ্রামে অবস্থান করেন আর তিনি এখানে ইন্তিকাল করেন তার মর্যদা ও কাজকর্মে লোকজন সন্তুষ্ট হয়ে অত্র বাংলাদেশে তার অনেক ভক্ত হয়ে আছেন বর্তমানে হুজুর আছে হযরত শাহ শেফগাহ তুল্লাহ তার দায়িত্বে বর্তমান হুজুর মোবারকের মাজার,মসজিদ,মাদরাসা, চলে আসছে এবং বর্তমানে ১ম শ্রেনী থেকে কামিল পর্যন্ত শিক্ষ দেওয়া হয় এবং গরবী ছেলেমেয়েদের বিনামূল্যে কিতাবাদী বিতরণ করা হয় ও ফ্রিখাওয়াদাওয়ারব্যবস্থাকরাহয়। খরজচালনোরজন্যবিভিন্নদানগ্রহণকরাহয়এবংবতর্মানমোট জমির পরিমান ১০০ বিঘা। প্রতি বছর তিনদিন ব্যাপি অনুষ্ঠান হয় ১৩-১৫ রা ফাল্গুন, ১৫-১৮ ই ফেব্রুয়ারী এই দিনে বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার-হাজার লোক আসেন। অবস্থান-সাতক্ষীরাজেলারআশাশুনিউপজেলার ৩নং কুল্যাইউনিয়নেরগুনাকরকাটিগ্রামে। যাতয়াত-সাতক্ষীরাথেকেউপজেলাআসারপথে ১৫ কিমিকুল্যাব্যাসস্ট্যান্ড। কুল্যাব্যাসস্ট্যান্ডথেকে ২কিমি উত্তরে। যাতয়াতেরজন্যবাস,মটরসাইকেলপাওয়াযায়জনপ্রতিবাসেভাড়া ৩০টাকা ও মটরসাইকেলেভাড়া ৭০ টাকা যোগাযোগ-সাতক্ষীরা,আশাশুনি,কুল্যা,গুনাকরকাটি। মোবাইল নং-০১৭১৪৫১০৫৭১