মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

ভাষা ও সংষ্কৃতি

১৮৬১ সালে সাক্ষীরা মহকুমায় রুপান্তরিত হেওয়া,পরবর্তী পি এন উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, ১৮৬৩ তে সাতক্ষীরার প্রথম ম্যাজিস্ট্রেট নবাব আবদুল লতিফ কর্তৃক মুসলিম সাহিত্য সমাজ গঠন করা ১৮৭৭ সালে সৈয়দ আমির আলী কতৃক ন্যাশন্যাল মোহামেডন এসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা এবং ১৮৮৫ তে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস এর আত্নপ্রকাশ সাতক্ষীরা তথা আশাশুনির সবশ্রেনীর মানুষ বিশেষ করে মুসলমানদেরতে প্রভাবিত করে । শিক্ষা সাহিত্যও সাংস্কৃতি চচার সাথে এ অঞ্চলের হিন্দু , সুসলমান , ডভায় শ্রেনীর মানুষ ।উদ্ভুদ্ধ হতে থাকে ।

উনিশ শতকের শেষ ও বিশ শতকের সূচনালগ্নে মুসলমানদের মধ্যে আত্যোবোধ স্বজত্যাবোধ  এবং বিশেষত  আধুনিক শিক্ষার প্রতি আগ্রহ পরিলক্ষিত হয় ।এ সময় থেকে মুসলিম রেসনসার সুত্রপাত । এসময় থেকে আশাশুনির কয়েকজন সাহিত্যিকদের পদচারণা । আব্দল  ওহাব সিদ্দিকী ( ১৯০২-১৯৮৫)মাওঃ ফজলুর রহমান দরগাহপুরী প্রমুখ্ উল্লেখযোগ্য ।আব্দল ওহাব সিদ্দিকী ১৯২৬ সালে  কলকাতা থেকে একাশিত আল মুসলিম পত্রিকার সহ সম্পাদক পরবর্তীতে সম্পাদক ছিলেন । এছাড়া তার সম্পাদিত প্রত্রিকা গুল বাগিচা,হানাফি, মোসলেম,আল মোসলেম,মিল্লাত,ছুন্নাতুল জামায়াত, তওহীদ ও পাক পায়গাম উল্লেখযোগ্য । তার প্রকাশিত সাহিত্যগ্রন্হ কোরআনের কথা,নবী কথা,আউলিয়ার কথা,দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ,ছোটদের কায়েছে আযম, স্মৃতির সাগর তীরে প্রভৃতি। মাওঃ ফজলুর রহমান বুখারী শরীকের বঙ্গ বিধানসভার সদস্য ছিলেন।

 

পরবর্তীতে আশাশুনি উপজেলার যে সমম্ত ব্যক্তিবর্গ সাহিত্য জগতে সুনামের সাথে বিচরণ করেছেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য আনিস সিদ্দিকী (১৯৩৪-১৯৮৫) গদ্যের যাদুকর হিসাবে পরিচিত । এ বিষয় কেবল শরৎ চন্দ্রই তার সাথে তুলনয়ি। যখন আমি রাণী ছিলাম ,সঙগ্রামী সুকর্ণ ,বিতাড়িত রাজা ফারুক, কাশ্নিরী স্পাই ইত্যাদি মিলিয়ে তিনি ৩০ খানা গ্রন্হের রচয়িতা। সাতক্ষীরার একমাত্র রম্য লেখক আব্দুল আহাদ ১৯৬২ খ্রীঃ কাদাকাটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন । যুগ জিজ্ঞাসা তার প্রকাশিত প্রথম গন্হ। ড. সদরুদ্দিন আহমেদ

Learning English the Easy Way, কবি ফররুখ আহম্মদের উপর সমলোচনা গ্রন্হ সহকয়েকটি গ্রন্হ প্রনেতা । ড.নুরুল ইসলাম প্রকাশিত গ্রন্থ আহতি ইত্যাদি ।রজব আলী বিশ্বাসী শিক্ষক

প্রশিক্ষণের উপর কয়েকটি পুস্তক এবং ইসলামের মৌলিক উপাদান নামে একটি গবেষনাধর্মী পুস্তকের রচয়িতা । তৃপ্তিমোহন মল্লিক প্রকাশিত গ্রন্থ রঙধনু অন্যন্যা এখন । জিএম মুজিবুর রহমান প্রকাশিত গ্রন্থ মুসলমান কে ও কেন ,ইসলাম ধর্ম ও কর্ম ,কান্নার শেষ হবে কবে,স্পপ্ন ।সম্পাদিত সাহিত্য

সংসলন ও পত্রিকা প্রগলভ,অক্ষর,স্বাধীনতা ও ভাষা দিবস স্মরণিকা। এস এম নওয়াব আলী (১৯২৮-১৯৮৮) অন্তত ১৫টি নাটক,উপন্যাস রচিতা এবংবহু ছড়া,কবিতা,গল্প লিখেগেছেন । সংস্কৃতি ক্ষেত্রে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনেক আগে থেকে অবদান রেখে আসছেন । জারি, সারী নাটক,যাত্রানুষ্ঠান বেশ জনপ্রিয় ছিল। আশাশুনির সাহিত্য সংগঠন গুলোর মধ্যে প্রগলভ সাহিত্য মজলিস (১৯৮৩) শিল্পায়ন (সাংস্কৃতিক সংস্থা) স্থাপিত (১৯৮৩),নব জাগরণী সাংস্কৃতিক সংঘ(১৯৮৬)শাশ্বত সাংস্কৃতিক পরিষদ(১৯৯৭), আশাশুনি সাংস্কৃতিক পরিষদ (১৯৯৯),সাহিত্য পরিষদ(২০০৮)উল্লেখযোগ্য । যাত্রা ও নাট্য শিল্পী,স্পপন কুমার দেবনাথ, ভিক্টর দানিয়েল নাগ, ভিক্টর দুলাল বেদনাথ,অজিৎ কুমার উল্লেখ যোগ্য। উপজেলার বর্তমান সাহিত্য ও সংস্কতিকর্মী ও সংগঠনের সংখ্যা অনেক । এগুলো স্ব স্ব এলাকায় উল্লেখযোগ্য পরিচিত ।